আদিবাসীদের চৈত্র সংক্রান্তি: বৈসু (ত্রিপুরা পর্ব)

Supanta Chakma

ফুল যেভাবে তার পরিস্ফুটনের মাধ্যমে তার জাতের বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলে, ঠিক তেমনি মানুষ তার নিজস্ব জাতির বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলে সংস্কৃতির মাধ্যমে। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর  বসবাস। ঋতুরাজ বসন্ত যখন কোকিলের সুরে তার আগমনের অস্তিত্ত্বকে জানান দেয়, তখন ধুম পড়ে যায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে। কিন্তু কেন??

হ্যাঁ, কেন? এর কারণ হচ্ছে বাংলা বছরের চৈত্র মাসের শেষের দিনে আদিবাসীরা পালন করে তাদের নিজস্ব একটি বিশেষ দিন। আর এই বিশেষ দিনটি জাতিস্বত্তা ভেদে বিভিন্ন নামে, বিভিন্ন আঙ্গিকে পালন করা হয়। “ত্রিপুরা ” জাতিগোষ্ঠী বাংলাদেশে যেসব আদিবাসী রয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম। এখানে মূলত ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ত্রিপুরা ভাষায় যাকে বলে “বৈসু” বা “বুইসুক”। এখন প্রশ্ন হতে পারে এই বৈসু কি? কিংবা বৈসু শব্দের অর্থ কি? বৈসু বা বুইসুক শব্দের অর্থ পুনর্জন্ম। আর এটা কিসের পুনর্জন্ম? এই পুনর্জন্ম বলতে বুঝানো হয়েছে প্রকৃতির বারবার পরিবর্তনের নতুন রুপ। অর্থাৎ প্রাকৃতিক পরিবেশের সবকিছুই নতুন রুপে সাজে একটি বছর শেষ হওয়ার পর আরেক বছরে। যার কারণে প্রতি বছরই প্রকৃতি নতুন ভাবে নিজেকে তুলে ধরার জন্য জন্ম নেয়। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে প্রকাশিত ” ট্রুথ এউটব ত্রিং” এর মাধ্যমে জানা যায় যে বঙ্গাব্দ প্রচলের তিন বছর আগে থেকেই ত্রিপুরাব্দ চালু হয়। এই ত্রিপুরাব্দ সৌরবর্ষ অনুযায়ী গণনা করা হয়। সূর্য ৩৬৫ দিনে তার গতি সমাপ্ত করে এবং সূর্য মীন রাশি থেকে মেষ রাশিতে সংক্রান্ত হয়। সূর্যের এই সংক্রান্তির লগ্নে দিন ও রাত সমান হয়।  এদিন অতিশয় পবিত্র ও পূণ্যময় দিন। ত্রিপুরা শাস্ত্রে উল্লেখ আছে যে “বৈসু”  সংক্রান্তির দিন জীবজগতের উদ্দেশ্য দান,দক্ষিণা,উৎসর্গ ও শুভকার্য সম্পাদন করা হলে পূণ্য অর্জন হয় এবং পরমাগতি লাভ করা যায়। এই পূন্যের দিনে ত্রিপুরাব্দ প্রবর্তন করা হয়েছিল বিধায় ত্রিপুরা জাতি ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে “বৈসু” উদযাপন করে থাকে। যার কারণে প্রকৃতির পুণর্জন্মের সাথে সাথে ব্যাক্তিজীবনেও নতুনত্বের উৎকর্ষ বিকশিত হয়।

এখানে আরেকটি বিষয়  উল্লেখ্য যে ত্রিপুরাব্দের এই বৈসুকে যদি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী হিসাব করা হয় তাহলে হয় ২২শে ডিসেম্বর।  কিন্তু চৈত্র মাসের ৩০ তারিখ অর্থাৎ ১৪ই এপ্রিল পূর্বপুরুষরা পালন করে আসছে বলে এটি বেশি জনপ্রিয় ও বৃহৎভাবে পালিত হয়।

“বৈসু” পুরাতন বছরের শেষ দুইদিন ও নতুন বছরের প্রথমদিনসহ মোট তিনদিন উদযাপিত হয়। তবে মূল আকর্ষণ নতুন বছরের প্রথমদিন “বৈসু”। এই তিনদিন হলেও বৈসুর প্রস্তুতি চলে অনেক আগে থেকে। বৈসুর জন্য ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী প্রায় মাসখানেক আগে থেকেই ঘরবাড়ি পরিস্কার করা, নতুন ঘর বানানো, পুরোনো জামা কাপড় ধৌত করা ইত্যাদি করে প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

বাংলাদেশে ত্রিপুরাদের বসবাস পার্বত্য চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ড, রাজবাড়ীসহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা। তাই প্রতিবছর এই দিনগুলো আসলেই এসব এলাকা উৎসবে মেতে ওঠে। 

ত্রিপুরাদের বৈসু উদযাপিত হয় ত্রিপুরাব্দ ৩০ ও ৩১ তালাং এবং নতুন বছরের প্রথমদিন। এই তিনটি দিনকে তিন নামে ডাকা হয়।

১| হারি বৈসু

২| বৈসু মা

৩|  বিসি কাতাল

হারি বৈসুঃ- হারি বৈসু ত্রিপুরাদের উৎসবের প্রথমদিন। ত্রিপুরারা যেহেতু ৩৬ দফায় বিভক্ত হওয়ায় এবং বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করায় ভাষায়ও কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। যার কারণে এই হারি বৈসুকে অনেকে “পুতলা”ও বলে থাকে। মূলত ফাতুং দফার মানুষরা “পুতলা” বলে থাকে। এদিনকে বৈসু উদযাপনের শুরু বলা যায়। এদিন ত্রিপুরা তরুণ তরুণীরাসহ সকল ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠী ঐতিহ্যবাহী পোশাক “রিনাই রিসা” ও ধুতি পরিধান করে খুব ভোরে ফুল তুলতে যায়। তারপর সেই ফুল নদীতে কিংবা খালে বেদির মত তৈরি করে পাশাপাশি মন্দিরে, বিশেষ পবিত্র স্থানে দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রর্থনা করা হয়। এর পাশাপাশি ত্রিপুরা নারীরা ছোট ছোট রিনাই রিসা নিজের হাতে বুনে পানিতে ভাসিয়ে দেয়। তারপর গোসল করে বাড়িতে আসার পর তিতা করলা কামড় দিতে হয়। এতে তাদের বিশ্বাস যে তিতা করলা কামড় দেওয়ার ফলে কোন অশুভ শক্তি তাদের গ্রাস করতে পারবে না। এরপর “কুচাই পাতা”, হলুদ আর সুকুই এর গুড়া দিয়ে পবিত্র জল তৈরি করা হয়। এই জল কুচাই পাতা দিয়ে ৩ অথবা ৭ বার মাথার চারপাশে প্রদক্ষিণ করে পেছনে ফেলে দিতে হয়। পেছনে ফেলে দেয়ার পর আর তাকানো নিষেধ। বিশ্বাস করা হয় যে কুচাই পাতা পরিশুদ্ধ হলে পুরোনো বছরের সকল পাপকার্য থেকে মুক্তি পেয়ে পরিশুদ্ধ হওয়া যায়। এদিন থেকে ” গরিয়া নাচ” ও “কীর্তন” শুরু হয়। গরিয়া নাচ হলো একধরণের সমবেত নৃত্য যেটিতে প্রেম, আনন্দ, সুখ ও সমৃদ্ধির উল্লেখ থাকে। এই নৃত্যে শুধুমাত্র পুরুষরা অংশগ্রহণ করে থাকে। নৃত্যে অংশগ্রহণকারীকে বলা হয় “খেরেবাই”। কমপক্ষে ২২ জন অংশগ্রহণ করতে হয় এই নৃত্যে। ২২ টি মুদ্রা নিয়ে এই নৃত্য পরিচালিত হয়। এই নৃত্যের একটি শর্ত যে যদি কেউ এই নৃত্য অংশ নেয় তাহলে পরপর তিন বছর অংশ নিতে হয়। এর পাশাপাশি চলে কীর্তন গাওয়া। কীর্তন দল ও গরিয়ার দল পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ায় প্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন পর্যন্ত।  এখানে একটি মজার বিষয় হলো যে যে জায়গা থেকে শুরু হয় সে জায়গায় পুনরায় এসে শেষ করতে হয়। ত্রিপুরা নারীরা ঢেঁকিতে বিন্নি চালের গাবি তৈরি করে, বন থেকে লাইরু পাতা সংগ্রহ করে, চোলাই মদ তৈরি করে ইত্যাদি। শুধু তাই নয় এদিন থেকে শুরু হয় বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা। তাদের মধ্যে দাং, গুদু, সুকুই খেলা,উয়াদেং ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।  পুরুষদের জন্য চলে বাঁশ ও বেত শিল্পের প্রতিযোগিতা। 

এদিন সৃষ্টিকর্তার প্রতি পূজা করা হয় যার নাম ” খুমকামীং”। যদি কারো কাছে ধার দেনা থাকে তাহলে এদিন পরিশোধ করে দিতে হয়। পশুপাখিদের ও এদিন বিশেষ যত্ন নেয়া হয়। যেমনঃ পশুদের গলায় মালা পড়িয়ে দেয়া হয়, বাড়ি বাড়ি গিয়ে পশুপাখিদের খাবার দেয়া হয় ইত্যাদি।  বর্তমানে বাংলাদেশের ত্রিপুরারা মাতাই পুখুরিতে গোসল করতে যায়। তারা মনে করে এখানে গোসল করলে এবং মানত থাকলে সেখানে কবুতর  উড়ালে দুঃখ, দুর্দশা থেকে মুক্তি পেয়ে পূণ্য অর্জিত হয়ে থাকে।

বৈসু মাঃ- এদিন বৈসুর দ্বিতীয় দিন। এ দিনটি মূলত আলন্দের দিন, ভ্রাতৃত্বের দিন। এদিন কোন মিথ্যা বলা হয় না। সকলের জন্য বাড়িতে সাধ্যমতো বিভিন্ন ধরনের খাবারের আয়োজন করা হয়। তৈরি করা হয় ১০৮ ধরনের সবজির উপাদানে “পাচন” তরকারি।  তবে কমপক্ষে ৩৬ উপাদান দিয়েও তৈরি করা যায়।  এর পাশাপাশি তৈরি করা হয় মদ, পিঠা, মিষ্টান্ন ইত্যাদি। তৈরি করা হয় হরেক রকমের পিঠা। লাইরু পাতার উান, কলা পিঠা, চুয়ান পিঠা, জাল পিঠা, উা পিঠা, মাখুং পিঠা ইত্যাদি।  এদিন শত্রু মিত্র সবাইকে বন্ধু ভাবা হয়। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ায় বাড়ির পর বাড়ি।। পৃথিবীর সকল প্রাণীর জন্য মঙ্গল কামনা করা হয়। যার ফলে কোন প্রাণি হত্যা করা হয় না। সকলে নিরামিষ পালন করে। এছাড়াও গরীব দুঃখীদের খাবার বিতরন করা হয়। তাই এদিনকে মনে করা হয় ঐক্যের দিন।

বিসিকাতালঃ- জানা যায় যে স্বাধীন ত্রিপুরা মহারাজা ‘হামতরফা’ যখন বৃহত্তর সিলেট, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম বিজয় করেন তখন সেই বিজয়কে স্বরণীয় করে রাখতে ৫৯০ খ্রীস্টাব্দে  “বিসিকাতাল” প্রচলন করেন।

 যা পরবর্তীতে ত্রিপুরা সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়েছে। এদিনটি ত্রিপুরাব্দের প্রথম দিন। এই দিনটি ত্রিপুরাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ দিন। পৃথিবীর সকল জাতিগোষ্ঠীর মঙ্গলের জন্য পূজা ও প্রার্থনা করা হয়। সাধ্যমতো আমিষ জাতীয় খাবারের আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি কাঙালী ভোজেরও আয়োজন করা হয়। তাদের বিশ্বাস বছরের প্রথমদিনটি যদি ভালোভাবে শুরু করা যায় তাহলে পুরো বছরটি ঠিক সেভাবেই ভালোভাবে কেটে যাবে। সকাল থেকে গুরুজনদের জন্য পানি নিয়ে গোসল করানো হয় এবং নতুন জামা কাপড় উপহার দেওয়া হয়। সেইসাথে প্রণাম করে আশির্বাদও নেয়া হয়।  এদিন ঘরবাড়ি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকে। যে কেউ যেতে পারে।  কারণ ত্রিপুরাদের দৃঢ় বিশ্বাস এদিন যদি কেউ বাড়িতে এসে খালিমুখে ফিরে যায় তাহলে তা বাড়ির জন্য অমঙ্গল হয়। যার ফলে আয়োজনের কমতি থাকে না। তাই এদিনে কোন বাধা নিষেধ নেই। শুধু তাই নয় কালগত জ্ঞাতীদের শ্মশানে গিয়ে ফুল ও মোম জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা জানানো ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

সময়ের গতিশীলতার সাথে সাথে সংস্কৃতির গতিশীলতাও বৃদ্ধি পায়। যার কারণে নিত্য নতুনভাবে পরিবর্তন হচ্ছে সংস্কৃতি। ঠিক একইভাবে বৈসু ও আদিকালের বৈসুর মধ্যে বেশ পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। আগে যেখানে সীমাহীন আনন্দ ফুর্তির মাধ্যমে  বৈসু পালন করা হতো সেখানে বর্তমানে অনেক সীমিত হয়ে এসেছে। যার ফলে হারিয়ে বসেছে অনেক পুরোনো রীতিনীতি ও ঐতিহ্য। বর্তমানে গরিয়া নাচ খুব একটা হয়না। তাছাড়া মানুষ এখন পাড়ায় পাড়ায় কম ঘোরাঘুরি করে যার কারণে জাতিগত মেল বন্ধন ছোট হয়ে আসছে। যোগাযোগ ও অসচেতনতার অভাবে বর্তমান কালের প্রজন্ম অনেকেই আড়ম্বরপূর্ণ বৈসু সম্পর্কে জানে না। কিন্তু দেখা যায় যে অন্যের সংস্কৃতিকে অনুকরণ করার প্রবণতা কিন্তু নিজেদের সংস্কৃতি সম্পর্কে অনীহা সৃষ্টি হচ্ছে।

এই অজানাকে আরো বেশি বেশি জানার আগ্রহ সৃষ্টি করতে, বর্তমান প্রজন্মকে আরো সংস্কৃতি মুখী করার মাধ্যেমে বৈসু সংস্কৃতি রক্ষা করা সম্ভব। এক্ষেত্রে কিছু পদক্ষেপ নেয়া যায়।

১| বৈসুকে কেন্দ্র করে মেলার আয়োজন করা যেখানে  ঐতিহ্যবাহী অনেক জিনিসপত্র দেখানোর পাশাপাশি নাটকের মাধ্যমে,গানের মাধ্যমে, প্রামাণ্যচিত্রের মাধ্যমে সংস্কৃতি পরিচিতি করানো যেতে পারে।

২) গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করতে পারে। তাদের মাধ্যমে ছোট বড় সেমিনার আয়োজন ও মেলার আয়োজন করা সম্ভব।

৩) “সংস্কৃতির লালন পালন নয়, সংস্কৃতি অধ্যয়নই সর্বপ্রথম “- এইরকম স্লোগানের সামনে রেখে যদি বর্তমান সমাজের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুন ত্রিপুরারা এগিয়ে আসে তাহলে অনেকাংশেই রক্ষা সম্ভব।

৪) নিজ নিজ সংস্কৃতি লালন পালনের পথে সংকোচ, বাধা আসুক না কেন আপন মনে এগিয়ে যাওয়াই হবে লক্ষ্য, এরকম মনস্থির করতে হবে।

বৈসু ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন৷ কেননা ত্রিপুরা বৈসুই ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীকে একত্রিত করতে পারে। বৈসুর সময় গুরুজনদের শ্রদ্ধা করা শেখানোর পাশাপাশি ছোটখাটো পারিবারিক মিলনমেলাও সৃষ্টি করে। ব্যক্তিগত কিংবা চাকরির কারণে পরিবারের লোকজন যত দূরেই থাকুক না কেন এদিন সবাই একত্র হয়। পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ানোর মাধ্যমে একদিকে যেমন পরিচিতি বিস্তার করে অন্যদিকে আত্মীয়তার বন্ধন আরো দৃঢ় করে। শুধু তাই নয় এদিন তরুণ-তরুণীরা যে ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করার মাধ্যমে যে সংস্কৃতিকে বিশ্বের দরবারে অস্তিত্বের জানান দেয় তার গুরুত্ব অপরিসীম।  এখন শুধুই বর্তমান প্রজন্মের কাছে প্রশ্ন থেকেই যায়,  যে সংস্কৃতি নিজের অস্তিত্বের পরিচয় তুলে ধরে সেই সংস্কৃতি সংরক্ষণে কতটা দায়িত্বশীল? ।

 331 total views,  2 views today

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *